ছেলে দুটি কার.....

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৭, ১৮:২৮
 
বাকপ্রতিবন্ধী ও উম্মাদ দু'কিশোর পরিবার পরিজনের কাছে ফিরতে চায়। এরমধ্যে একজন কথা বলতে পারে না। অপরজন নিজের নাম বলতে পারে। কিন্তু মা-বাবার নাম ও ঠিকানা বলতে পারে না। স্বজন ও পরিবারের কাছে ফিরতে তাদের চোখে-মুখে ব্যাকুলতার ছাপ রয়েছে। 
 
বাকপ্রতিবন্ধী নাম পরিচয়হীন কিশোরকে গত ৭ নভেম্বর গোপালগঞ্জ শহর থেকে পুলিশ আটক করে। পরের দিন ৮ নভেম্বর তাকে গোপালগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মতিয়ার রহমানের আদালতে হাজির করে পুলিশ। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট বাকপ্রতিবন্ধী অজ্ঞাত কিশোরকে যশোর শিশু কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য জেলা কারাগারের সুপারকে নির্দেশ দেন। পরের দিন ওই কিশেরকে যশোর শিশু কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। 
 
গত ২৬ অক্টোবর টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ সুমন (১৬) নামে এক উম্মাদ কিশোরকে আটক করে। গত ২ নভেম্বর ওই কিশোরকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট সুমনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৪ নভেম্বর সুমনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাকপ্রতিবন্ধী অজ্ঞাত কিশোর ও সুমনের সঠিক পরিচয় খুঁজে বের করে তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা সমাজ সেবা অফিসের প্রবেশন অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন।
 
জেলা সমাজ সেবা অফিসের প্রবেশন অফিসার ফরাহানা নাসরিন বলেন, আদালতের নির্দেশে ওই দু'কিশোরের সঠিক পরিচয় খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সুমন পাবনা মানসিক হাসপাতাল ও বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর যশোর শিশু কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে রয়েছে। পাবনা ও যশোর যাওয়ার সময় অসহায় ওই দু'কিশোর পরিবারে কাছে ফিরতে ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছে। 
 
ইত্তেফাক/আরকেজি