কিশোরগঞ্জে দরিদ্র নারীদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরনে উদ্যোগ

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০১৭, ২৩:১২

“উত্তরাঞ্চলের দরিদ্রদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ কর্মসূচী(উদকনিক)-২য় পর্যায়” প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে সোমবার বিকাল ৪ ঘটিকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা বিআরডিবি’র আওতাধীন প্রকল্পে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের তৈরি পণ্যসমূহ বাজারজাতকরণে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

সভায় হস্তশিল্প বিক্রয় কেন্দ্র শাম্মী হ্যান্ডিক্রাফ্টসের আয়োজনে বিআরডিবি ইউসিসিএ লিঃ এর ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার আল-মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পল্লী উন্নয়ন অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন, শাম্মী হ্যান্ডিক্রাফট এর সত্ত্বাধীকারী শাম্মী আক্তার, সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক  প্রমূখ।

উদকনিক প্রকল্পের প্রডাকশন ম্যানেজার এ. এইচ. এম. রায়হান জানান, কিশোরগঞ্জ উপজেলার হতদরিদ্র, বিধবা, স্বামী পরিত্যাক্তা, তালাকপ্রাপ্তা ও সংখ্যালঘু নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার জন্য ২০১২ সাল থেকে অদ্যাবধী ৮১৬জন নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ, এমব্রয়ডারী, নকশী কাঁথা, ব্লক বাটিক ও শতরঞ্জি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। তারা প্রশিক্ষণ নিয়ে বাড়িতে পাপস, মেয়েদের ভ্যানিটি ব্যাগ, পুতির ফুলদানী, টিস্যু বক্স, থ্রি পিছ, শাড়ী এবং বিভিন্ন ধরনের শো পিছ তৈরী করে আসছেন। তাদের উৎপাদিত পণ্যসমূহ ন্যায্য দামে ক্রয় করে শাম্মী হ্যান্ডিক্রাফট দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাজারজাত করবে।
IMG0
উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার আল-মিজানুর রহমান বলেন, “দারিদ্র বিমোচনে বিআরডিবি”  এই প্রতিবাদ্যকে সামনে নিয়ে বিআরডিবির আওতায় উদকনিক প্রকল্পের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের উৎপাদিত পণ্য যাতে ন্যায্যমুল্যে বিক্রি হয় সে ব্যাপারে তাদের সহযোগীতা করার জন্য শাম্মী হ্যান্ডিক্রাফট এর সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস. এম. মেহেদী হাসান বলেন, বিআরডিবি’র উদকনিক প্রকল্প থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে হতদরিদ্র, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত নারীরা যে সমস্ত পণ্য উৎপাদন করছে তা বাজারজাতকরনের জন্য উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের সাথে ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে শাম্মী হ্যান্ডিক্রাফট আগ্রহ প্রকাশ করায় আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। পাশাপাশি এই সমস্ত দরিদ্র নারীদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার ফলে একদিকে যেমন তাদের দারিদ্র্য হ্রাস পাবে অন্যদিকে বাকীরা উৎসাহ পাবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলার অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।

ইত্তেফাক/নূহু