নোয়াখালীর সেনবাগে পিএসসি পরীক্ষা চলাকালে উপজেরার গাজীরহাট কেন্দ্রে ছাত্রীর শ্লীলতানীর দায়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো: ইব্রাহিমকে (২৯) এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আলম মঙ্গলববার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এ রায় দেন।দণ্ডিত শিক্ষককে নোয়াখালী কারাগারে পাঠাতে সেনবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার পিএসসি পরিবেশ পরিচিতি সমাজের পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার গাজীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৩ নং কক্ষে দায়িত্ব পালন করছিলেন উপজেলার পশ্চিম চাঁদপুর (খলিপাপাড়া) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: ইব্রাহিম। ওই হলে পরীকোট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ নেন। পরীক্ষা শেষ হবার ৩০ মিনিট আগে ওই শিক্ষক এক ছাত্রীকে দাঁড় করিয়ে শারিরীকভাবে শ্লীলতাহানী করে। এভাবে উক্ত শিক্ষক আরো কয়েকটি ছাত্রীর সাথে এ ধরনের আচরনের অভিযোগ উঠে।
পরীক্ষা শেষে কয়েকজন ছাত্রী কাঁদতে কাঁদতে হল থেকে বের হতে দেথে পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জাইকার সেনবাগ প্রতিনিধি আতিকুল ইসলাম বিষয়টি অবগত হন। এ সময় তিনি কেন্দ্র সচিব সহ অন্যান্যরা মিলে অভিযুক্ত শিক্ষককে ডেকে অফিস রুমে আটক রাখেন। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহায়তায় শ্লীলতাহানীর শিকার ছাত্রীর অভিভাবকসহ অপরাপর শিক্ষক, শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমান আদালতে অভিযুক্ত শিক্ষক মো: ইব্রাহিম দোষ স্বীকার করলে দন্ডবিধি ৫০৯ ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আলম। সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষক ছাত্র অবস্থায় মাদ্রাসায় লেখাপড়া চলাকালে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্র গুলো জানিয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আলম গতকাল সন্ধ্যায় ইত্তেফাককে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ইত্তেফাক/রেজা
