নাসিরনগর থেকে মাধবপুর যাওয়ার সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে দুই উপজেলার মানুষ। দুর্ভোগ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নাসিরনগর থেকে মাধবপুর পর্যন্ত ৩০ মিনিটের পথ যেতে সময় লাগছে প্রায় দুই ঘন্টা। সড়কটি দিয়ে যান চলাচল খুবই বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী দীর্ঘদিন রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি। বর্তমানে সিএনজি টেম্পু কিংবা রিকশার চেয়ে হেঁটে চলাচল করাও নিরাপদ নয়। ফলে এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছে চালকরা। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। সব মিলিয়ে নাসিরনগর-হরিপুর-মাধবপুর সড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে।
নাসিরনগর-হরিপুর-মাধবপুর সড়কের অবস্থা এতই খারাপ যে হেঁটে চলাচল পর্যন্ত দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। স্বচক্ষে না দেখলে বোঝা মুশকিল এ পথে চলাচলকারীদের ভোগান্তি। দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না করায় নাসিরনগর উপজেলা থেকে মাধবপুরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ অনুপযোগী হয়ে উঠেছে। ফলে বর্তমানে নাসিরনগর-চৈয়ারকুড়ি-হরিপুর-মাধবপুর সড়কে যানবাহন চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৯ কি.মি এ সড়কের প্রায় সাড়ে ১৫ কি.মি এর কার্পেটিং ও কংক্রিট উঠে গিয়ে এবং ভেঙে ছোট-বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, এলজিইডি বিভাগের নাসিরনগর-চৈয়ারকুড়ি-হরিপুর-মাধবপুর সড়কের জরাজীর্ণ অবস্থা। বিভিন্ন স্থানে গর্ত হওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ নিজ উদ্যোগে গর্তে মাটি ভর্তি বস্তা ও কংক্রিট ফেলে টেম্পু এবং অটোরিকশায় যাতায়াতের চেষ্টা করছে।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী রিয়াদুল কুদ্দুস জানান, মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছায়েদুল হকের নির্দেশে চলতি বছরের ২৭ জুলাই বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় পিডিএ ফর আরআই, এমপি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির জন্য ১৮ কি.মি এ সড়কটি প্রশস্তসহ মেরামতের জন্য ১৫ কোটি টাকার প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনও অনুমোদন পাওয়া যায়নি।
ইত্তেফাক/নূহু
