জাতীয়করণ হওয়া কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার-ননক্যাডার ইস্যুতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি কুমিল্লা শাখা কর্মবিরতি পালন করছেন। কর্মবিরতির প্রথম দিনে রবিবার জেলার ১১টি সরকারি কলেজ ছাড়াও কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মরতদের এই কর্মবিরতি কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজকর্মে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, শিক্ষকদের ক্যাডার-ননক্যাডার ইস্যুতে আজ রবিবার ও আগামীকাল সোমবার কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেয় কেন্দ্রীয় বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি। ওই কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার সকাল থেকে সমিতির কুমিল্লা শাখা কর্মবিরতি পালন শুরু করে। জেলার ১১টি সরকারি কলেজ, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর কুমিল্লা কার্যালয়ে শিক্ষা ক্যাডারে কর্মকর্তারা পালন করছেন। কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. রুহুল আমিনসহ কয়েকটি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, এ কর্মবিরতির কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজে আসা লোকজন নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া সরকারি কলেজসমূহে পরীক্ষাগ্রহণসহ শিক্ষা কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি কুমিল্লা শাখার সভাপতি ও কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কায়সার আহমেদ জানান, জাতীয়করণ হওয়া কলেজ শিক্ষকদের যদি শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করে আত্তীকরণ করা হয় তাহলে লাগাতার অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে। জাতীয়করণ শিক্ষকদের শিক্ষা ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি কোনোভাবে মেনে নেবে না। তিনি আরো বলেন, ক্যাডারবহির্ভূত রেখেই জাতীয়করণ হওয়া কলেজ শিক্ষকদের সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে। তাই কোনোভাবেই তাদের ক্যাডারভুক্ত করার সুযোগ নেই।
ইত্তেফাক/এএম।
