গণপ্রতিনিধি আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এর শিরোনাম পরিবর্তন করার পক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত আরপিওকে বাংলায় রূপান্তর করে আগামীতে গণপ্রতিনিধিত্ব আইন নামে অভিহিত করতে চায় কমিশন। এজন্য গতকাল বুধবারের কমিশন সভায় বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করা হয়েছিল। যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার জন্য ইসির আইন বিধি সংস্কার কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইত্তেফাককে বলেন, আইন ও বিধি সংস্কার কমিটি থেকে আরপিও বাংলায় রূপান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি আরপিওকে আইনে আনার প্রস্তাবনা ছিল। আদেশের পরিবর্তে আইনের প্রস্তাব আসে। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
২০০৮ সালে এটিএম শামসুল হুদা কমিশন প্রথমবারের মতো আরপিওকে আইনে আনার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তীব্র আপত্তি করে বলা হয়, ‘আরপিও’র সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এটির শিরোনাম পরিবর্তন করা যাবে না।’ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিয়ম-কানুন সংক্রান্ত প্রধান আইন ‘দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার’ (আরপিও) বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ প্রণীত হয়েছিল ১৯৭২ সালে। এরপর ৪৭ বছরে আরপিও মোট ১৭ বার সংশোধন করা হয়।
