বয়স জটিলতায় ময়মনসিংহে সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭, ০১:০৭

ময়মনসিংহের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বয়স জটিলতার কারণে মেধা থাকা সত্ত্বেও ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা। এ নিয়ে হতাশায় ভুগছেন অভিভাবক ও শিশু শিক্ষার্থীরা।

১০ এর অধিক বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী(পিইসি) পরীক্ষায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হলেও শুধুমাত্র ১১ বছর বয়সসীমার বাধ্যবাধকতার কারণে তারা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনই করতে পারছে না। শিশুদের ভবিষ্যত্ নিয়ে চরম উত্কণ্ঠায় রয়েছেন তাদের অভিভাবকরাও। বয়স জটিলতা নিরসনে তারা হন্যে হয়ে ছুটছেন সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের বিষয়টি মাথায় রেখেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগদানে বয়সের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

ময়মনসিংহে চলতি বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে গিয়ে তাদের গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়িয়েছে নগরীর নামকরা ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি।

অভিভাবকরা জানান, এসব বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু বেশিরভাগ শিশুর বয়স ১১+ হতে হবে। নয়তো ভর্তির আবেদনের সুযোগ বঞ্চিত হবেন তারা। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমানের কাছে আবেদন করেছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। বর্তমান শিক্ষা বান্ধব সরকার শিশুদের ঝরে পড়া রোধ ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সম্ভাব্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ময়মনসিংহে সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে বয়সের বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সরকারের এ সিদ্ধান্ত সাংঘর্ষিক বলে অভিভাবকরা মনে করছেন।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান জানান, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বয়সের জটিলতা নিরসনে অভিভাবকদের আবেদনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে

ইত্তেফাক/নূহু