রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলে নিহত হন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো দুইজন মারা গেছেন।
নিহতরা হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার বালুটুলি গ্রামের গোলাম কিবরিয়া হাসানের স্ত্রী মিরা বেগম (৫০), তার নাতি হোসাইন আল-আমিন (২৫) এবং মাইক্রোবাসের চালক ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মনসুর আলী (৩২)।
দুর্ঘটনায় নিহত মিরা বেগমের স্বামী গোলাম কিবরিয়াও গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পবা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শনিবার দুপুরে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পুঠিয়ার ঝলমলিয়া এলাকায় ট্রাক ও মাইক্রোবাসের এই মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিরা বেগম মারা যান। পরে আহত তিনজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় আরো দুইজন মারা যান।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সায়েদুর রহমান ভুঁইয়া জানান, দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। নিহত সবার লাশ এখন রামেকের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
ইত্তেফাক/কেকে
