মীর্জাগঞ্জ উপজেলায় ১৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১০টি বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। বেশির ভাগ বিদ্যালয়েই নেই শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ। এসব বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এছাড়া বিদ্যালয়গুলো শিক্ষক সংকট, পাকা ভবনের অভাব, টয়লেট ও পানি সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। শ্রেণিকক্ষের অভাবে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ফলে এ উপজেলায় শিক্ষার হার দিন দিন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যা সব শিশুকে শিক্ষার আওতায় আনার পথে অন্তরায়।
মীর্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা অফিস মতে, ৩৩টি বিদ্যালয় অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বিদ্যালয়ে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এআরএম মিজানুর রহমান সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এসব বিদ্যালয়ের নামের তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার পাঠানো হয়েছে। হয়তো শিঘ্রই এসব ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে।
ইত্তেফাক/নূহু
