মজনু কী পাবেন স্বপ্নপূরণ করতে

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৭:৩৯
 
নাগেশ্বরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েও অর্থাভাবে ভর্তি হতে পারছেন না এক মেধাবী শিক্ষার্থী। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চিন্তায় দিশেহারা তিনি।
 
উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বেরুবাড়ী গ্রামের ভিটেমাটিহীন রিকশচালক শাহাদত হোসেন ও অন্যের বাড়িতে ঝি এর কাজ করা মা মঞ্জু বেগমের মেধাবী ছেলে মজনু মিয়া।
 
উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার অদম্য ইচ্ছায় ছোটবেলা থেকে বাবার সাথে কখনও দিনমজুরি, কখনও রিকশা চালিয়ে এসএসসিতে জিপিএ-৫ ও এইচএসসিতে জিপিএ-৪ দশমিক ৮৩ পেয়েছেন। অর্থবিত্ত না থাকলেও মানসিক শক্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি যুদ্ধেও অক্ষুন্ন রেখেছে সেই ধারাবাহিকতা। 
 
এবারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং, দিনাজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিষয়ে ভর্তি সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু রিকশচালক বাবা টাকা সংগ্রহ করতে না পারায় ভর্তি হতে পারেনি রাজশাহী ও দিনাজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
 
আগামী ২ জানুয়ারি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির শেষ তারিখ। এ সময়ের মধ্যে টাকা সংগ্রহ করতে না পারলে সে সুযোগও চলে যাবে। ভর্তির শেষ সময় যতই ঘনিয়ে আসছে ততই চারদিক থেকে দুশ্চিন্তা তাকে ঘিরে ধরছে। উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বাবা-মায়ের কষ্ট দুর করার যে স্বপ্ন দীর্ঘদিন থেকে মনের গহীনে লালন করে আসছেন তা পূরণের সাথী হয়ে কে দাঁড়াবে তার পাশে। এ আশায় তিনি ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। 
 
ইত্তেফাক/অারকেজি