কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জিএম ফসলের চাষ হচ্ছে। জিএম ফসল কোথাও কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে তা জানা যায়নি। আমাদের অধিক জনসংখ্যার খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলায় জিএম ফসলের দিকে যেতে হবে। আমরা সাবধানতা অবলম্বন করবো কিন্তু রক্ষণশীলতার বেড়াজালে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করবো না, তা হবে না।
গতকাল বুধবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটরিয়ামে ফিড দ্যা ফিউচার বায়োটেকনোলজি পটেটো পার্টনারশিপ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা আলুর সিঙ্গেল আর-জিন নিয়ে কাজ করেছি। এখন আমরা থ্রি-আর জিন নিয়ে কাজ করবো। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে আলুর একটি নতুন জাত বের করা হলে আলুর মারাত্মক ক্ষতিকর রোগ নাবীধসা রোগের আক্রমণ ও ক্ষতি থেকে কৃষকরা রক্ষা পাবেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নজমুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. ভাগ্য রানী বণিক ও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবুল কালাম আযাদ। এছাড়াও ইউএসএইড বাংলাদেশের এফটিএফ প্রোগ্রাম লিডার ডেভিড ওয়েস্টারলিংক বক্তব্য রাখেন।
ফিড দ্যা ফিউচার বায়োটেক পটেটো পার্টনারশিপ বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মিশিগান স্টেট ইউনির্ভাসিটির অধ্যাপক ও ফিড দ্যা ফিউচার বায়োটেকনোলজি পটেটো পার্টনারশীপ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. ডেভিড ডাউচেস। আলোচনায় অংশ নেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মোঃ নাসির উদ্দিন, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম মন্ডল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রাখ হরি সরকার।
উল্লেখ্য, মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে থ্রিআর-জিন প্রযুক্তির মাধ্যমে আলুর নাবীধসা রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ইউএসএইড এর অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ বিএআরআইতে শুরু হতে যাচ্ছে।
ইত্তেফাক/নূহু
