পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে চলছে কপিলমুনি ইউপির কার্যক্রম

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ০২:৫১

পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় ৬০ বছর পূর্বে নির্মিত ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম। দ্বিতল ভবনের ছাদসহ বিভিন্ন স্থানের পলেস্তারার বড় বড় অংশ খসে পড়ছে।

আকস্মিক দুর্ঘটনা এরাতে কর্তৃপক্ষ ভবনের বিভিন্ন স্থানে বাঁশ দিয়ে ঠেকিয়ে রেখেছে। দক্ষিণ খুলনার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র কপিলমুনির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইউপি ভবনটিতে প্রতিদিন বিচারিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন জিও এনজিওর  সভা-সমাবেশসহ বিচারিক কার্যক্রমে এলাকার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এমন অবস্থায় যে কোন সময় ভবনটি ভেঙ্গে ঘটে যেতে পারে কোন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। পরিষদ সূত্র জানায়, ১৯৬০ সালে পাকিস্তান আমলে কপিলমুনির প্রাণ কেন্দ্রে  স্থাপিত হয় কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি। এর মধ্যে পার হয়ে গেছে ৫৭টি বছর। বর্তমানে ভবনে প্রতিটি দেয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় চরম আতংকের মধ্যে পরিষদের সকল প্রকার কাজ করে যাচ্ছেন চেয়ারম্যানসহ সকল সদস্য। জানা যায়, এর আগে ২০০৬ সালে ভবনটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে থেকে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ভবনটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে নতুন কমপ্লেক্র ভবন নির্মাণের স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রস্তাব দেয়া হয়। গত ৭ নভেম্বর খুলনা জেলা প্রশাসক আমিনুল আহসান পাইকগাছা উপজেলা পরিদর্শন শেষে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে কপিলমুনি ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। এ সময় পরিদর্শন বইতে তিনি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ঝঁকিপূর্ণ বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযোগী বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ভবনটি ভেঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণের কথা উল্লেখ করেন। পরিষদের চেয়ারম্যান কওসার আলী জোয়াদ্দার বলেন, অত্যন্ত নিরাপত্তাহীনতায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদের কসকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সর্বশেষ উপজেলা মাসিক সাধারণ সভায় গত ১৩ জুলাই ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ বিষয় কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ শামসুল আলম পিন্টু জানান, যে কোন সময় জরাজীর্ণ ধসে পড়ে বড় ধরনের কোন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আ. আজিজ বলেন,  তিনি যত দ্রুত সম্ভব পরিষদের নতুন ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি  হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ইত্তেফাক/নূহু