রায়পুরায় ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার জের ধরে আওয়ামী লীগের দুগ্রুপের মধ্যে সৃষ্ট সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে কামরুজ্জামান কফু-জাকির হোসেনের সমর্থক শহিদ মিয়া, মনির হোসেন টেঁটাবিদ্ধ ও মাসুদুর রহমান মাসু সমর্থক মামুন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
গুরুতর আহত তিনজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের ১০/১২টি বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার চরাঞ্চল পাড়াতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুজ্জামান কফু সমর্থক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান মাসু সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানান, বিগত ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুগ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এরই জের ধরে উভয়পক্ষে সমর্থকদের মধ্যে বিগত দিনে কয়েক দফায় সংঘর্ষ, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ২জন নিহতসহ শতাধিক লোক আহত হয়। এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলা রয়েছে। উক্ত ঘটনার জের ধরেই মঙ্গলবার সকালে কামরুজ্জামান কফু-জাকির হোসেন সমর্থকরা মাসু সমর্থক জমুদ্ধার বাড়িতে হামলা চালালে উভয় গ্রুপের সর্মথকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে।
এ ব্যাপারে রায়পুরা থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান মাসুর লোকজন দীর্ঘদিন এলাকা ছাড়া ছিল। মঙ্গলবার তারা নিজ বাড়িতে উঠতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে ভাংচুর বা আহত হয়েছে এমন কোন খবর আমি পায়নি।
ইত্তেফাক/আরকেজি
