বরিশাল ও ঝালকাঠি মিনিবাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের কারণে দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবারও ৬ রুটে সরাসরি বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। দ্বন্দ্ব নিরসনে বুধবার বিকেলে সার্কিট হাউজে বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সভা আহ্বান করা হয়েছে।
রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে ঝালকাঠি রুট এবং পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া, ভাণ্ডারিয়া, খুলনা, বাগেরহাট রুটের যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে বরিশাল রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে ঝালকাঠির রায়াপুর নামকস্থান থেকে ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতি ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন রুটে বাস চালাচল করছে।
ঝালকাঠি বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই ৬ রুটে বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও বাগেরহাট সমিতির বাস সমন্বয় করে চলাচল করলেও বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ঝালকাঠি সমিতির কোনো বাস চলতে দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু বরিশাল-কুয়াকাটা রুটে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলাধীন ৮ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। ওই ৮ কিলোমিটার সড়ক বরিশাল ও পটুয়াখালী মালিক সমিতি ব্যবহার করলেও ঝালকাঠি মালিক সমিতির কোনো বাস চলতে দেওয়া হয় না। বরিশাল ও ঝালকাঠি মিনিবাস মালিক সমিতির এ দ্বন্দ্বের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। যাত্রীরা অভিযোগ করেন কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
অপরদিকে সকালে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের নলছিটি উপজেলাধীন দপদপিয়া জিরো পয়েন্টে ঝালকাঠি বাস-মিনিবাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করার চেষ্টা করে। তবে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তারা সড়ক অবরোধ করতে পারেনি।
ইত্তেফাক/আরকেজি
