আরো বড় শাস্তি হবে লালকার্ড পাওয়াদের

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৮, ২২:০০

স্পোর্টস রিপোর্টার

ফেডারেশন কাপ ফুটবল ফাইনালে চার লালকার্ড পাওয়া ফুটবলারদের আরো বড় শাস্তি হতে যাচ্ছে। তাদের বিপক্ষে কড়া রিপোর্ট দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। যদি রিপোর্ট অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হয় তাহলে লালকার্ড পাওয়া বসুন্ধরা কিংসের ডিফেন্ডার সুশান্ত ত্রিপুরা, স্ট্রাইকার তৌহিদুল আলম সবুজ এবং আবাহনীর মামুন মিয়া ও নাবীব নেওয়াজ জীবন আরো শাস্তি পাবেন। বাফুফের সাধারন সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ জানিয়েছেন তারা এরই মধ্যে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালের রিপোর্ট হাতে পেয়েছেন। যেসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে বাফুফেও চিন্তিত। সোহাগ জানিয়েছেন পুরো রিপোর্ট ডিসিপ্লিন কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। কমিটি বসে তারা শাস্তির বিষয়টি নির্ধারণ করবেন।

কি আছে সেই রিপোর্টে জানতে চাইলে ফেডারেশন কাপ ফুটবল ফাইনালের রেফারী মিজানুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন সবাই যা দেখেছে সেটাই রিপোর্টে উল্লেখ করা করা হয়েছে। আর বাফুফের সাধারণ সম্পাদকের কথা তারা রিপোর্ট, পত্রিকার রিপোর্ট টিভির ভিডিও ফুটেজ সবই দেখেছেন সেগুলো খেলোয়াড়দের বিপক্ষে সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রভাব ফেলবে।

রেফারিদের আরেকটি সুত্রের দাবী জীবন এবং সুশান্ত কম শাস্তি পেলেও মামুন মিয়া এবং সবুজের শাস্তি বাড়তে পারে। তারা যেভাবে মারামারি করেছেন তা কাম্য নয়। ফাইনালের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন সাবেক রেফারী বলেন আমি ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্ট করেছি। সবুজকে যেভাবে দৌড়াতে দেখলাম তার খেলায়ও এমন ভাবে দৌড়াতে দেখিনি। তিনি বলেন,‘আমরা ঘটনাগুলো উল্লেখ করে কোন ধারায় অপরাধ হয়েছে সেটা উল্লেখ করেছি। এখন ডিসিপ্লিন কমিটি সিদ্ধান্ত দেবেন তারা বাঁচাবেন নাকি মারবেন। আমরা এমন কিছু করব না যে একটা ফুটবলার এক বছর সাসপেন্ড হয়ে যাক।’  জানা গেছে অপরাধ করেও বেঁচে গেছেন বসুন্ধরা কিংসের ডিফেন্ডার নাসির চৌধুরী। ফাইনালের ৮৭ মিনিটে নাসির আবাহনীর নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে চিজোবাকে মারাত্নকভাবে আঘাত করেন। সানডেকে সঙ্গে সঙ্গে মাঠ থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মুলত নাসিরই খেলার শেষ ভাগে বড় অপরাধ করে মাঠে মারামারির উত্স তৈরি করেন। এমন সময় সানডেকে আঘাত করেন যখন আবাহনীর কাছে ৩-০ গোলের হার নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছিল। কোনো ভাবেই বসুন্ধরার কিংসের ফিরে আসার সুযোগ ছিল না। মেরেই সটকে পড়া নাসিরের বিপক্ষে কোনো রিপোর্ট জমা পড়েনি বলে দাবী সাবেক রেফারীর। তিনি উল্টো নাসিরের পক্ষ নিয়ে বলেন,‘নাসির যেটা করেছে সেটা ফাউল, পার্ট অব গেম। এটা কোনো ভায়ালেন্স নয়।’