শ্রীমঙ্গলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ঠেকাতে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যবসায়ী সমিতি। আদালতের সদস্যরা অভিযানকালে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় দুপুরে র্যাবের উপস্থিতিতে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মৌলভীবাজারের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন। এসময় মেয়াদ উত্তীর্ণ ঠাণ্ডা পানীয়, পোড়া তেল ও লেভেলহীন চা-পাতা পাওয়ার দায়ে নূর ফুডস অ্যান্ড রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা ও আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এদিকে শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন ব্যবসায়ীদের পক্ষে অবস্থান করলে তাকে উপেক্ষা করেন আদালত। এর জের ধরেই শ্রীমঙ্গলে পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়ার আগ পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে মাইকিং করে ঘোষণা দেন তিনি।
এদিকে তার ডাকে সাড়া দিয়ে শহরের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দুপুর থেকেই ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা শহরের চৌমূহনা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন সদস্যরা খারাপ আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ তুলেন এবং তার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মৌলভীবাজারের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বলেন, আইন অনুযায়ী তিনি এ অভিযান পরিচালনা করছেন। তবে শহরে ধর্মঘটের কারণ সম্পর্কে তিনি জানেন না বলে উল্লেখ করেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সিলেট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আমাদের সরকারি কাজে কেউ বাধা দিতে পারেন না।
ইত্তেফাক/আরকেজি
