কক্সবাজারের চকরিয়ায় ক্রেতা সেজে অভিযান চালিয়ে র্যাব সদস্যরা ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এ সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে পাচারকাজে জড়িত নয়ন সাহা (৩০) নামের এক যুবককে। র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মো. রহুল আমিনের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার দিকে চকরিয়া পৌরবাস টার্মিনালে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
গ্রেফতারকৃত নয়ন সাহা চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল এলাকার উত্তম সাহার ছেলে। উদ্ধারকৃত ৪০ হাজার ইয়াবার আনুমানিক বাজার মুল্য প্রায় দুই কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন র্যাব সেভেন কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মো. রুহুল আমিন বলেন, শনিবার রাতে চকরিয়া উপজেলা সদরের পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা অবস্থান করবে গোপনে এই ধরণের খবর পেয়ে আগে থেকে সেখানে র্যাব সদস্যরা অবস্থান নেয়। পরে পাচারকারী চক্রের সন্ধান নিশ্চিত করে তাদের সাথে কৌশলে এসব ইয়াবা বিক্রির বিষয়ে কথাবার্তা চালানো হয়।
তিনি বলেন, কথাবার্তা চুড়ান্ত করে রাত আনুমানিক সাড়ে দশটার দিকে র্যাবের বিপুল সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত অভিযান টিম পাচারকারী চক্রকে ঘিরে ফেলে। ওইসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে পাচারকারী যুবক নয়ন সাহাকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও তাঁর হেফাজত থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
মেজর রুহুল আমিন বলেন, গ্রেফতার ওই যুবক ও উদ্ধারকৃত ইয়াবাসমূহ রবিবার সকালে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় গতকাল দুপুরে চকরিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। র্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের ডিএডি আবুল কালাম আজাদ মামলাটির বাদি।
তিনি বলেন, এদিন বিকালে গ্রেফতারকৃত আসামিকে চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সৌপর্দ করা হয়। আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ওই আসামিকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
