সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগ নীতিমালার বিরুদ্ধে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে মামলা হয়েছে। গত ১৪ ডিসেম্বর যশোরের কেশবপুর উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের মৃত নিয়ামত আলীর ছেলে আয়ূব আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে রুল জারিসহ ৪ সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন।
বাদী তার আবেদনে উল্লেখ করেছেন, কেশবপুর উপজেলার ৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের জন্য যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক গ্রামের কাগজে গত ৭ ডিসেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২৮ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ড হওয়ার কথা। ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন নিয়োগের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।
দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগ বিধিতে উল্লেখ রয়েছে, দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের জন্যে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি নিয়োগ কমিটি হবে। এতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শিক্ষা অফিসার, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি থাকবেন। এ নিয়োগ কমিটি প্রার্থীদের মধ্যে থেকে ৩ জনের একটি প্যানেল তৈরি করবেন। সবাই সমমর্যাদা সম্পন্ন। ৩ জনের মধ্যে থেকে সংসদ সদস্য একজনের নাম সুপারিশ করবেন। কিন্তু এ বিধি লঙ্ঘন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালযের প্রশাসন-২ অধিশাখা এর ২৬/০১/১৫ তারিখের স্মারক- ৩৮.০০২.০১৫.০০.০০.০২৪.২০১০(অংশ-১)১১৫ নং পরিপত্রের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী পদে আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগে নীতিমালা সংশোধনের ৭(২) অনুচ্ছেদে বর্ণিত তালিকা হতে সংসদ সদস্য একজনকে নিয়োগের জন্যে সুপারিশ করবেন। তার সুপারিশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। উল্লেখিত কথাগুলো অসাংবিধানিক এবং বাতিলযোগ্য দাবি করে উপজেলার দোরমুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাড. আয়ুব আলী বাদী হয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশনটি দাখিল করেন। বিবাদীরা হলেন- সচিব আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।
ইত্তেফাক/এমআই
