আলমডাঙ্গা মাদকমুক্ত হওয়ার পথে

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:৫৬

অতিরিক্ত আইজি মীর শহিদুল ইসলামের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গাসহ তার জন্মভূমি আলমডাঙ্গায় মাদক এখন পুরোটাই নিয়ন্ত্রণের পথে। মীর শহিদুল ইসলাম গত ৯ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ এবং আলমডাঙ্গা থানা পুলিশসহ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি মাদক বন্ধে সকলের সহযোগিতা চান।

অতিরিক্ত আইজিপি মীর শহিদুল ইসলামের নির্দেশ পেয়ে বিশেষ করে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মাদক নিয়ন্ত্রণের ডেডলাইনও ঘোষণা করেন।

প্রায় দু’মাসে উপজেলার বিভিন্ন মাদকের আঁখড়া থেকে একশ ৫১ জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। এদের মধ্যে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ৪২ জনের নামে মাদক আইনে মামলা করা হয়। তারা্ এখন  জেল হাজতে রয়েছে। এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও মাদক উচ্ছেদে তত্পর হয়ে ওঠেন। দু’মাসে ৪১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময়ের মধ্যে আটক মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও প্যাথেড্রিন ইঞ্জেকশনও উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত আইজিপি মীর শহিদুল  ইসলাম ইত্তেফাককে জানান, ‘আপনারা শুধু পুলিশকে দোষারোপ না করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে নাগরিক দায়িত্ব পালন করুন। মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সহযোগিতা করুন। চুয়াডাঙ্গাসহ আলমডাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ী ও নেশাসক্ত যুবক আমি দেখতে চাই না। তিনি আরো জানান, মাদক প্রশ্নে কোনো ছাড় নেই। পুলিশকে এ রকম নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণে আনতে ভূমিকা রাখায় চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার ও আলমডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন।’

ইত্তেফাক/নূহু