চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:৫৬

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চুয়েট ক্যাম্পাসে চুয়েট প্রসাশন, চুয়েট শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রসাশন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাথে দীর্ঘ দুই ঘন্টা আলোচনার পর এই অবরোধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা।

আজ রাত সাড়ে ৭টায় মুঠোফোনের মাধ্যমে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সত্যতা নিশ্চিত করেন কাপ্তাই বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ও নোয়াপাড়া সিএনজি চালক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন।
এই ব্যাপারে কাপ্তাই বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, চুয়েট শিক্ষার্থীরা তাদের ভুল বুঝতে পেরে বৈঠকে ক্ষমা চেয়েছে। আগামীতে কোন ঘটনা ঘটলে তারা স্থানীয় প্রসাশনসহ সংশ্লিটদের অবহিত করবেন বলেছে। কোন গাড়ি ভাংচুর করবে না বলে জানিয়েছে। তাই আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছি।

নোয়াপাড়া সিএনজি চালক কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন জানান, ভুল বুঝাবুঝির কারণে এই ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।  গাড়ি ভাংচুর ও সিএনজি চালকদের মারধরের জন্য চুয়েট শিক্ষার্থীরা ক্ষমা চেয়েছেন। গাড়ি ভাংচুরের জন্য কিছু ক্ষতিপূরণ দিবে বলে ওয়াদা করেছেন চুয়েট প্রশাসন। এই ব্যাপারে চুয়েট ছাত্র কল্যাণ পরিচালক ড. মশিউল হকের সাথে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করেও সংযোগ পাওয়া যায় নি।

বৈঠকে চুয়েট প্রশাসন, পরিবহন মালিক ও চালকদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ, পাহাড়তলি ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কর্তৃক গাড়ি ভাংচুর ও ভাংচুরকৃত গাড়ি ক্ষতিপূরণের দাবীতে যৌথভাবে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল চট্টগ্রাম-কাপ্তাই বাস মালিক সমিতিসহ অটোরিক্সা চালক সমিতিগুলো। আজ সকাল হতে চলতে ধর্মঘটে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হয় যাত্রী সাধারণ।

ধর্মঘটে কয়েকটা গাড়ি চলাচল করলেও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে তিন-চার গুণ ভাড়া আদায় করে কিছু অসাধু চালক। ধর্মঘট প্রত্যাহারের খবর ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। সড়কে গাড়ি চলাচল বেড়ে যায়।

ইত্তেফাক/নূহু