ঘন কুয়াশায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি এবং দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ৮ ঘণ্টা পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে ফেরি সার্ভিস সচল হয়। শিমুলিয়ায় কনকনে শীতে যাত্রী নিয়ে মাঝ পদ্মায় আটকা ছিল ৭টি ফেরি। এদিকে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হওয়ায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় প্রায় ৪ কিলোমিটার যানজট দেখা দেয়।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটস্থ এজিএম শাহ খালেদ নেওয়াজ জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে পদ্মা অববাহিকায় ঘন কুয়াশা নেমে আসে। কুয়াশার চাদারে ঢাকা পড়ে নৌরুট। দৃষ্টিহীন হয়ে পড়ে নদীপথ। কুয়াশার ঘনত্ব এতোই বেশি ছিল যে, খুব কাছের কোন জিনিস দেখা যাচ্ছিল না। কোন প্রকার দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ সময় মাঝ নদীতে যাত্রী ও মালামালসহ নোঙরে থাকে ছোট বড় ৭টি ফেরি। দীর্ঘ সময় নদীর মাঝে ও ফেরি ঘাটে আটকা পড়ে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন। অনেকেই ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রন্ত হয়ে পড়েন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুয়াশার প্রভাব কমে আসলে ৮ ঘণ্টা পর ফেরি চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।
শিমুলিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচাজ এসআই শরজিৎ ঘোষ জানান, ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি বন্ধ থাকায় ঘাটে যানজট রয়েছে। আটকে পড়া যাত্রীদের নিরাপত্তায় নৌ পুলিশ কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয় জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। শনিবার সকাল দশটার দিকে কুয়াশা কমতে থাকলে ফেরিগুলো ছাড়তে শুরু করে। নৌযান পারাপার ব্যাহত হওয়ায় দৌলতদিয়া এবং পাটুরিয়া উভয় ঘাটে কয়েকশ গাড়ি আটকা পড়ে। তীব্র শীত ও কুয়াশায় আটকে থাকা যাত্রী ও যানবাহন চালকরা নদী ও সড়ক পথে দুর্ভোগের শিকার হন।
ইত্তেফাক/আরকেজি
