দখল ও ভরাটে অস্তিত্ব হারাচ্ছে চৌমুহনীর খরস্রোতা খাল

আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:৫৫

ভরাট ও দখলে চৌমুহনী শহরের শত বছরের বাণিজ্যিক ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক ১২০ ফুট চওড়া খরস্রোতা খালটির অস্তিত্ব হারিয়ে যাচ্ছে।

চৌমুহনী বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার বৃহত্ ও দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ  বাণিজ্যিক শহর। দেশের নদীবন্দর চাঁদপুর, ভৈরব, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে চৌমুহনীর সরাসরি নৌ যোগাযোগ ছিল। চৌমুহনী শহরের ওপর দিয়ে কয়েকটি খাল প্রবাহিত হয়েছে। তার মধ্যে শহরের দক্ষিণাংশে আটিয়াবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন নোয়াখালী খালের সঙ্গে সংযোগ হয়ে ১২০ ফুট চওড়া খালটি শহরের মধ্যাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে প্রায় ১২ কি.মি উত্তরে ছাতারপাইয়া খালে মিলিত হয়। এ খালটির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নৌ বন্দর থেকে মাল বোঝাই করে চৌমুহনী শহরে আসতো। মালামাল খালাসের জন্য খালের চৌমুহনী শহরাংশে ছয়টি নৌকা ঘাট ছিল। গত কয়েক বছর ধরে মাটি ফেলে খালটির অধিকাংশ ভরাট করে দখলদাররা দোকান তুলে দখল করে নিয়েছে। যতটুকু বাকি রয়েছে সেটুকুও মাটি ও আবর্জনা ফেলে দখলের পাঁয়তারা চলছে। এমনকি যে ছয়টি নৌকা ঘাট ছিল সেগুলোও দখল হয়ে গেছে। এতে একদিকে খালটি আর বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়ে বেগমগঞ্জে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোস্তফা জাবেদ কায়সার জানান, আমি অল্প কিছুদিন হয় যোগদান করেছি। বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/নূহু