উন্নয়ন বাজেটের বড় অংশ যোগাযোগ খাতে ব্যয় হয়। তারপরও এক্ষেত্রে নিয়োগ ও পরিবহনে নারী বান্ধব পরিবেশের যথেষ্ট অভাব আছে। যোগাযোগ ক্ষেত্রে মাত্র ৬ শতাংশ নারী কাজ করে বলে এক গবেষণায় প্রকাশ পায়। কয়েকটি নির্বাচিত খাতে জেন্ডার সমতা অনুসন্ধান বিষয়ক কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
মঙ্গলবার একটি পাচঁতারকা হোটেলে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিআইজিডি-র সেন্টার ফর জেন্ডার এন্ড সোশ্যাল ট্রান্সফরমেশন (সিজিএসটি) এডিবি-র অর্থায়নে এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে নগর উন্নয়ন, যানবাহন, কারিগরি শিক্ষা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন ক্ষেত্রে নারীর সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম, এনডিসি। সভাপতিত্ব করেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ। কর্মশালায় প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন, ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অফ্ গভর্ন্যান্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. সুলতান হাফিজ রহমান। আলোচনা করেন, অর্থনীতিবিদ্ ড. কানিজ সিদ্দিকী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক, ইন্সটিটিউট অফ্ প্ল্যানার্স-এর সহ-সভাপতি মো. আকতার মাহমুদ এবং বিআইজিডি-র ভিজিটিং ফেলো মাহীন সুলতান।
মাহীন সুলতান বলেন, ৪টিট প্রধান খাতকে নিয়ে এই গবেষণা করি। এই সব ক্ষেত্রে নিয়ে যারা গবেষণা করেছে আমরা তাদের সাথে তুলনা করি। আমরা অনেকক্ষেত্রে অনেক এগিয়েছি। আমাদের আইন ও নীতিগুলোও অনেক ভাল। তবে এগুলো বাস্তবায়নে ও ব্যবহারে অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে।নারী নেতৃত্ব আছে তবে ক্ষমতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। জেন্ডার বিষয়ক উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো এমন হতে হবে যেন প্রজেক্ট শেষ হলে কাজ শেষ না হয়। এজন্য রিসোর্স খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ইত্তেফাক/এমআই
