পাবনা জেলার মধ্য শহরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খামার বাড়ি আঙিনায় ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে বাহারি পুষ্পমেলা। শত ফুলের হাসিতে রাঙা হয়ে ওঠে শহরের সকাল। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ১০দিন ব্যাপী এই মেলার আয়োজক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা নার্সারি মালিক সমিতি।
রবিবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, রংবেরঙের ফুলের গাছ পাওয়া যাচ্ছে প্রতি স্টলে ।শীতের নানা ফুল ফুটেছে টবে লাগানো গাছে। বিভিন্ন ঔষধি এবং কিছু কিছু ফলজ বৃক্ষের চারাও বিক্রি করা হচ্ছে। পাবনায় পুষ্প মেলা শুরুর প্রথম দিন ক্রেতা দর্শনার্থী কিছুটা কম থাকলেও এখন দর্শনার্থী ও ক্রেতার সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন স্টল মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের স্টল গুলোতে দেশি-বিদেশি গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, সাইলোসিয়া, ইনকা গাঁদা, হেকিম গাঁদা, কুইন সুপার গাঁদা, সোনবল, স্টার ফুল, ইলাস্টিক, কানচাটিয়া, কাইলানথাচ ফুল, লন্ডমেক্স, স্যালভিয়া, মোরগ ফুল, ক্যালেন্ডুলা, ক্যাকটাস, পপি, ডেনথাস, পয়েনচেটিয়া, ক্যাপসিক্যাম, ক্যাবিজ, মেইডেন হেয়ার, সাইকাস, ওরনামেন্টাল বাঁশ, রেড ক্যাবেজ, বনসাই এছাড়া বিভিন্ন প্রকার পাতাবাহারসহ প্রায় ৫শ’ প্রজাতির ফুলের চারা বিক্রির জন্য শোভা পাচ্ছে।
কথা হয় ঋতু নার্সারীর মালিক রবিউল ইসলাম এর সাথে। তিনি জানান, মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফুলসহ অন্যান্য চারা পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রকার চারা ২০ টাকা থেকে শুরু করে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা ও দর্শনার্থী ক্রমেই বাড়ছে।
IMG0
সূর্যের আলো নার্সারির সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রথম দিন বিক্রি ছিল কম। আস্তে আস্তে লোক বাড়ছে। এখন সকাল থেকে পুষ্পপ্রেমীরা আসছেন। দোকানিরা বললেন বেচাকেনা ভাল। তাদের আশা শেষ দিকে ভিড় আরো বাড়বে।
কথা হয় ক্রেতা ও দর্শনার্থী শাহজাহান সিরাজ, শিউলী পারভীন, অংকনসহ কয়েক জনের সাথে। তারা জানান, মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখতে ভালো লাগছে। কিছু ফুল গাছের চারা কিনেছেন। বিশেষ করে অনেক নাম না জানা ফুল ও গাছের নাম জানতে পেরে নিজেদের কাছে ভালো লাগছে।
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই পুষ্পমেলা। ১৬টি স্টল খোলা থাকছে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। মেলার ৬ষ্ঠ দিন ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। স্কুল-কলেজগামী শিশু ও তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষের সমাগমে জমে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ।
ইত্তেফাক/এমআই
