বিমানের অকেজো বোয়িং উড়োজাহাজটি চার দিন পর সচল

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:৫৮

বিশেষ প্রতিনিধি

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অকেজো বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটি চারদিন পর সচল হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে ত্রুটি মেরামতের পর উড়োজাহাজটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় আনা হয়। এর আগে গত ৮ এপ্রিল এই উড়োজাহাজ সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় দেড়শ যাত্রী নিয়ে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজটি  ঢাকায় আসছিল। পথে মিয়ানমারের আকাশে এর বামদিকের ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। পাইলট উড়োজাহাজটিকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করান। পরে যাত্রীদের বিমানবন্দরের টার্মিনালে নামিয়ে আনা হয়। কয়েক ঘন্টা পর ঢাকা থেকে অন্য একটি উড়োজাহাজ পাঠিয়ে সকল যাত্রীকে ঢাকায় আনা হয়। উড়োজাহাজটি অকেজো থাকায় বিমানের আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটের ফ্লাইট চলাচলের সিডিউল বিপর্যয় দেখা দেয়। এ পরিস্থিতিতে গত চারদিন ধরে বিমানের প্রকৌশলীরা চেষ্টা চালিয়ে এর ইঞ্জিনের ত্রুটি মেরামত করেন এবং সচল করতে সক্ষম হন। 

এদিকে একইদিন বিমানের একজন কেবিন ক্রুর অদক্ষতার কারণে অপর একটি বোয়িং ৭৮৭-৮০০ উড়োজাহাজটি অকেজো হয়ে যায়। বোয়িং কোম্পানি থেকে কেনা নতুন ওই ড্রীমলাইনার উড়োজাহাজটি ব্যাংকক থেকে যাত্রী নিয়ে রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। উড়োজাহাজটি বে-তে থামানোর পর যাত্রীদের নামাতে চিপ পার্সার লিপি দরজার পরিবর্তে ‘স্লাইড’ খুলে দেন। সাধারণত দুর্ঘটনার সময় যাত্রীদের উড়োজাহাজ থেকে দ্রুত নামানোর জন্য এই স্লাইড খুলে দেওয়া হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় যাত্রী নামাতে এটা ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই। তবে ওই রাতে চিপ পার্সার কেন দরজা না খুলে স্লাইড খুলেছেন সে ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি, এ কারণে বিমান কর্তৃপক্ষ তাকে ওই রাতেই দায়িত্ব পালন থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে। এ ব্যাপারে বিমানের নিরাপত্তা প্রধানের নেতৃত্বে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।