ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২১:৫১
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা তাদের উপর হামলাকারীদের বিচারের ও নিরাপত্তার দাবিতে রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন। দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
 
শনিবার জেলা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ নেতাদের অনুসারীরা বহিরাগতদের নিয়ে ইনস্টিটিউটের ছাত্রী হোস্টেলে ঢুকে হামলা করেন। এসময় ১০ শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের মধ্যে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তৌফিকা আফরিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে ৬০/৭০জন ছাত্রী সিভিল সার্জনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এতে তারা শনিবারের ঘটনা তুলে ধরে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর আবারো হামলা করতে পারে এই ভয়ে তারা আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানান।
 
অভিযোগে বলা হয়, শনিবার বেলা ১১টার দিকে তাদের নতুন প্রিন্সিপাল সালাউদ্দিন মাতবর যোগ দিতে আসেন। তাকে বরণ করতে গেলে ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, জেলা সদর হাসপাতালের কর্মচারীরা বহিরাগতদের নিয়ে ছাত্রী হোস্টেলে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করে। এদিকে এই ঘটনার পর ইনস্টিটিউটে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
 
ছাত্রীরা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ নেতারা অধ্যক্ষের যোগদানে বাধা দেন এবং এক পর্যায়ে তাদের অনুসারীদের দিয়ে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করান। তাকে ইনস্টিটিউট এলাকা ত্যাগে বাধ্য করা হয়। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত ইনস্ট্রাক্টর ফেরদৌসি বেগম, স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসি বেগম, হাসপাতাল কর্মচারী নাজিম, তনয়সহ আরো কয়েকজন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তারা মিছিল বের করে এর প্রতিবাদ জানায়। এবিষয়ে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার রানা নূর শামস জানান।
 
নার্সিং ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত ইন্সট্রাক্টর ফেরদৌসী বেগম জানান, শিক্ষার্থীদের উপর হামলার সাথে আমি জড়িত নই। নতুন ইন্সট্রাক্টরের যোগদানে আমাদের পক্ষ থেকে কোন বাধা নেই।
 
ইত্তেফাক/আরকেজি