রোহিঙ্গা উপাখ্যান ‘নাফ তীরের কন্যা’

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:৩১
 
ইতিহাসের ঘৃণ্যতম রোহিঙ্গা গণহত্যা শুরুর পর ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭’তে বান্দরবানের নাইক্ষ্যত্ছড়ি হয়ে মিয়ানমারের তমব্রুতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক হাসান আল জাভেদ।
 
রোহিঙ্গা তাবু থেকে শাহপরীর দ্বীপ, নাফ নদী ঘুরে ঘুরে সংবাদ তৈরি করেছেন। এর আগে ২০১৬ সালের মে মাসে মাছ ব্যবসায়ী পরিচয়ে রাখাইনের মংডু শহর ঘুরে এসে রোহিঙ্গাদের অবস্থা, ইয়াবাবাহী একটি ট্রলারের প্রতিবেদন প্রকাশ করেন জাভেদ। সহকর্মীদের ভাষায় ‘রোহিঙ্গা সাংবাদিক’।
 
সেনাবাহিনীর বন্দুকের নল ও দোসর মগদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চোখের সামনে প্রিয়জনের সবল দেহ মাটির সঙ্গে লুটে পড়া, কোলের শিশুকে পানিতে ছুড়ে হত্যা, সাজানো সংসারে অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ-নির্যাতনের সেই সব দুঃসহ বর্ণনা আর এক রোহিঙ্গা তরুণীকে নিয়ে সুঁই-সুতোর মেলবন্ধনের একটি উপখ্যানের নাম ‘নাফ তীরের কন্যা’।
 
পাখির মতো মা-বাবা ও তিন ভাইবোনের নির্মম মৃত্যু দেখে কাঁটাতার ডিঙিয়ে বাংলাদেশে আসেন রোহিঙ্গা কন্যা। ভাবছিলেন হয়তো নিধু'র দেখা পাবে। যার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়ে আছে। কিন্তু হাজারো স্বজাতির ভীড়ে কে দেবে তার সন্ধান। নিধু কী আদৌ বেঁচে আছে? অতপর সেই অন্ধকারের পথে কৃষ্ণকন্যার ফিরে যাওয়া।
বইমেলার ৪৫২-৪৫৩ নম্বর স্টল 'দেশ পাবলিকেশন্স' এ মাসজুড়ে পাওয়া যাবে বইটি। এছাড়া ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ২০-২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই রোহিঙ্গা উপাখ্যান পাওয়া যাবে।
 
ইত্তেফাক/এএম