আদালতে মামলা করেও শেষ রক্ষা হয়নি নড়াইলের কালিয়ার গৃহবধূ মনিরা বেগমের (২৩)। যৌতুক লোভী স্বামী পিটিয়ে ও মুখে গরম লোহার ছুরির ছ্যাকা দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মুুমূর্ষু অবস্থায় মনিরাকে প্রথমে কালিয়া হাসপাতালে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার বেন্দারচর গ্রামে ঘটেছে নৃশংস ওই নির্যাতনের ঘটনা। পুলিশ স্বামী সাদ্দাম শেখকে (২৮) আটক করেছে। ওই ঘটনায় কালিয়া থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, উপজেলার কুঞ্জপুর গ্রামের রজব আলীর মেয়ে মনিরা বেগমের সাথে বেন্দারচর গ্রামের মৃত ফুল মিয়া শেখের ছেলে সাদ্দামের সাথে প্রায় এক বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য মনিরার উপর নেমে আসে নির্যাতন।
শুক্রবার রাতে মনিরাকে বেধড়ক পিটুনি এবং মুখ ও শরীরের বিভিন্নস্থানে ছ্যাকা দেন। মনিরার আর্তচিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে কালিয়া হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
কালিয়া থানার ওসি শেখ শমসের আলী বলেছেন, ওই ঘটনায় মনিরা বাদী হয়ে সাদ্দাম ও তার সহযোগী কোবাদ শেখের নামে মামলা দায়ের করেছে। প্রধান আসামি মনিরার স্বামী সাদ্দামকে (২৮) রাতেই আটক করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
