বাবরকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৪:১০
জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর গ্রিন ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন একদল উদ্যমী ছেলে-মেয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন 'স্কুল অব লাইফ'। পড়াশুনা শেষ করে একবুক স্বপ্ন নিয়ে ঢাকার মিরপুরে একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। কর্মজীবন শুরু করতেই ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে বাবরের প্রাণ। দুরারোগ্য মোটো নিউরো ডিজিজ (এমএনডি) রোগে আক্রান্ত তিনি।
 
বাবরের বাবা হোসেন আহাম্মদ দুই বছর আগে মারা যান। বাবর ২০০৮ সালে রামগড় গনিয়াতুল উলুম মডেল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন। জোরারগঞ্জ থেকে ২০১২ সালে ডিপ্লোমা শেষ করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৭ সালে বিএসসি শেষ করে ঢাকার একটি বেসরকারি টেকনিক্যাল কলেজে শিক্ষকতায় যোগ দেন।
 
চিকিৎসকরা জানান, এই রোগে মানুষের শরীরের সেলগুলো ধীরে ধীরে মরে যায়। এরপর রোগী শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে এবং কয়েক বছরের মধ্যে মারা যায়। এখনো এ রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার না হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে একধরণের থেরাপি রয়েছে যা করলে রোগীর মরতে বসা সেলগুলো বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব। এ থেরাপি ভারতে ও চীনে দেওয়া যায়। চীনে এ থেরাপি দিতে প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা। পিতৃহারা বাবরের পক্ষে চিকিৎসার এ খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। বাবরের চিকিৎসায় তার সহপাঠী ও রামগড়ের কিছু উদ্যমী যুবক তহবিল সংগ্রহ করছেন। বাবরের চিকিৎসার জন্য ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ হাত বাড়িয়েছেন।
 
মেধাবী যুবকটির জীবন রক্ষায় সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা- মোহাম্মদ রায়হান, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ৫৪২২১০০০০৭২৩৬, সোনালী ব্যাংক, রামগড় শাখা, খাগড়াছড়ি। সাফাউল হক, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ০০৫১১২০৩২৮১৭২, আল আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক, আগ্রাবাদ শাখা, চট্টগ্রাম। বিকাশ- ০১৮২৩২৫৬৩৮৪, ০১৭১১৩৪৭৫৯০ (পারসোনাল), রকেট- ০১৮২৩২৫৬৩৮৪।
 
ইত্তেফাক/এসএস