যশোরের কেশবপুরে দুর্বৃত্তরা মামুন হোসেন (৩৪) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। ঘের সংক্রান্ত বিরোধে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাঁর পরিবারের পক্ষে থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে পুলিশ উপজেলার সরফাবাদ গ্রামের সিদ্দিক মোল্যার একটি কচু ক্ষেত থেকে মামুন হোসেনের লাশ উদ্ধার করেছে।
এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামের সোহরাব মোড়লের ছেলে মামুন হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ট্রাক, পিকআপের ব্যবসার পাশাপাশি মাছের ঘেরের ব্যবসাও করতো। এ কারণে কেশবপুর শহর ও মঙ্গলকোট বাজারে তার বিচরণ ছিল বেশি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নতুন ঘেরের আড়াই লাখ টাকা সংগ্রহের জন্যে তিনি বাড়ি থেকে বের হন।
মামুনের ভাই মুন্না সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তার ভাই মামুন গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মঙ্গলকোট বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে অপরিচিত ৩/৪ জন লোকের সাথে চা এবং কোমল পানীয় টাইগার খেয়ে তাদের একজনকে সাথে নিয়ে তার ব্যবহৃত নতুন একটি পালসার মোটর সাইকেলযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি তার নতুন ঘেরের চুক্তির আড়াই লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিল। এই টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় ঘের সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা ছিনতাই করে লাশ মাটিতে পুতে রাখে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি শাহজাহান আহমেদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা সোহরাব মোড়ল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রহস্য উদঘাটন করে দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইত্তেফাক/এসএস
