রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরিচালিত একমাত্র তথ্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘নটির পূজা’র দ্বিতীয় প্রাক-প্রদর্শনী। এই প্রামাণ্য চিত্রটির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ সারা বিশ্বে প্রেম, আশা, সহনশীলতা এবং ধর্মীয় সামঞ্জস্যতা জোরালো করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বুধবার রাতে ইউএনবি ও ঢাকা কুরিয়ার’র প্রধান সম্পাদক এনায়েতুল্লাহ খানের বারিধারার বাসভবনে এই প্রাক-প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের দর্শকরা উপস্থিত ছিলেন। ‘নটির পূজা’র নতুন এই সংস্করণের পরিচালনা করেন অধ্যাপক কার্ল বারদোস। এটির নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন এনায়েতুল্লাহ খান।
ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত আন সিওং ডু, জার্মানের রাষ্ট্রদূত ড. থমাস প্রিনজ, ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, ইউএনবির পরিচালক নাহার খান, বাংলাদেশ ব্যান্ড ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, শিল্পী এবং চলচ্চিত্র প্রেমীরা অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।
IMG0
এ সময় কার্ল বারদোস কেনো এবং কিভাবে এই প্রামাণ্যচিত্রটির পুনর্নির্মাণ করেছেন সে বিষয়ে এনায়েতুল্লাহ খান বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, ‘অনেক গবেষণার পরই ছবিটি পুনর্নির্মাণ করেছেন কার্ল বারদোস। রবীন্দ্রনাথ কলকাতার ঠিক যেই যেই জায়গায় ছবিটির শুটিং করেছিলেন বারদোসও নতুন করে নির্মিত এই ছবিটির জন্য সেই সেই জায়গায় গিয়ে শুটিং করেন।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই প্রামাণ্যচিত্রটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে জানিয়ে এনায়েতুল্লাহ খান বলেন, বর্তমান বিশ্বের নানা উপাদান বিশেষত চরমপন্থীরা মানুষের শান্তি নষ্ট করছে। বিশ্বের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার মধ্যে শান্তির যেসব উপাদান রয়েছে সেগুলোকে হাইলাইট করে নটির পূজা নিয়ে একটি বই প্রকাশ করা হবে।
উপস্থিত দর্শকরা ছবিটির পেছনে পরিশ্রম করা ব্যক্তিদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বলেন, এই যুগেও প্রামাণ্যচিত্রটি খুবই প্রাসঙ্গিক একটি বার্তা বহন করে। প্রামাণ্যচিত্রটির গুণগত মান, সঙ্গীত এবং সংলাপ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন দর্শকরা। ছবির ‘আমার সকল দুঃখের প্রদীপ’ গানটি বিমোহিত করে তাদের। ২০১৬ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় ছবিটি।
ইত্তেফাক/ইউবি
