ভেঙে পড়েছে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিত্সা ব্যবস্থা

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৮, ০১:১৯

চিকিত্সক ও জনবল সংকটে কালিয়া উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিত্সা ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। এখানে ৩৫ জন চিকিত্সকের স্থলে আছেন মাত্র সাতজন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিতে ৩৫ জন চিকিত্সকের স্থলে আছেন মাত্র সাতজন। ১৮ জন নার্সের মধ্যে আছেন ১৫ জন, দুইজন সুপার ভাইজারের মধ্যে আছেন একজন। মিডওয়াইফ চারটি পদের মধ্যে একজনও নেই। ল্যাবরোটরিতে তিনজনের মধ্যে আছেন একজন। এদিকে এক্সেরে মেশিন, আল্ট্রাসনো মেশিন, ডেন্টাল চেয়ার ও অন্যান্য চিকিত্সার যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে।

এছাড়া সরেজমিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ক্ষতিকারক বর্জ্য সংরক্ষণ ও অপসারণের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই।

অফিস স্টাফরা জানান, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ওই বর্জ্য নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা তা নেয় না। আমাদেরও কোনো ব্যবস্থা না থাকায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশে ভবনের পেছনে বর্জ্য ফেলি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শরীফ শাহবুর রহমান জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে চিকিত্সক ও জনবল সংকট রয়েছে। আর বর্জ্য ধ্বংসের বিষয়ে তিনি বলেন, হাসপাতাল থেকে বর্জ্য নেওয়ার কাজ পৌরসভার। আমি এখানে যোগদানের পর পৌরসভার মেয়রকে জানিয়েছি। তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার তারিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে যেসব কনসালটেন্ট ডাক্তার থাকার কথা তার একজনও নেই। যে সকল চিকিত্সক আছেন তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে উন্নত সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

কালিয়া পৌর মেয়র মুশফিকুর রহমান লিটন বলেন, বর্জ্য ধ্বংস করা বা পুঁতে রাখার মতো আমাদের কোনো জায়গা নেই। চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব জায়গার ব্যবস্থা করে এ বিষয়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

ইত্তেফাক/নূহু