প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, নাসিরনগরে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দিতে চাই। এখানে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সকলের সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে। তাই নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আজ শুক্রবার সকালে নাসিরনগর আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে উপ-নির্বাচন উপলক্ষে পোলিং অফিসারদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কে এম নুরুল হুদা এসব কথা বলেন। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বি.এম মশিউর রহমান, সহকারী কমিশনার ভূমি উম্মে সালমা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, অফিসার ইনচার্জ মো. আবু জাফর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে উপ-নির্বাচন নির্বিঘ্নে করতে নির্বাচন কমিশন নিয়োগকৃত এক হাজার ১৬৬ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে নির্দেশনামূলক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইলেকশন কমিশন। প্রথম দিনের ৭শ' ২৮জন পোলিং অফিসারের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করা হবে ৭৪টি ভোট কেন্দ্রের ৩শ' ৬৪টি ভোটকক্ষে। এ জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে ৭৪ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩শ' ৬৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ৭শ' ২৮জন পোলিং অফিসার। এসব কর্মকর্তাকেই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আজ শুক্রবার ৭শ' ২৮ জন পোলিং অফিসারের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। বাকিদের কর্মশালা হবে একই ভেন্যুতে আগামীকাল শনিবার।
প্রশিক্ষণে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের নির্বাচন-পূর্ব কাজ, ভোটের দিনের কাজ, ভোট গ্রহণ উপকরণ সংরক্ষণ, ভোট গণনা ও ফলাফল প্রস্তুত, ফলাফল ও ব্যালট পেপারের হিসাব বিবরণী যথাযথ ব্যবহারের বিষয়ে বিভিন্ন ধরণের লিখিত নির্দেশনার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের ২৪৩ নং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ সংসদীয় আসনে ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৯ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১০ হাজার ৪শ' ১০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩ হাজার ৫শ' ৯৯ জন।
ইত্তেফাক/এসএস
