বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৩৯জনের মধ্যে ১৭জন পলাতক রয়েছেন।
চার্জশীটভুক্ত ১০ আসামিকে ৪বছরেও ধরতে পারেনি পুলিশ। অধরা ১০জনের মধ্যে একজন এ মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে জামিন নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ৯জনের মধ্যে ৮জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। চার্জশীটভুক্ত আসামিদের মধ্যে ইসমাইল হোসেন ছুট্টু, কপিল উদ্দিন মাহমুদ আবির, টিটু, রাহাত মো. এরফান আজাদ, বাবলু, শফিকুর রহমান ময়না, একরাম হোসেন আকরাম, মোসলেহ উদ্দিন আসিফ ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
এছাড়া বিভিন্ন সময় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে জামিন নিয়ে পালিয়ে গেছেন আরো ৯আসামি। এরা হলেন, এমরান হোসেন রাসেল ওরফে ইঞ্জিনিয়ার রাসেল, জাহিদুল হাসেম সৈকত, চৌধুরী মো. নাফিস উদ্দিন অনিক, আবিদুল ইসলাম আবিদ, জিয়াউর রহমান বাপ্পি, নুরুল আবসার ওরফে জাহিদ চৌধুরী, আরমান হোসেন কাউসার ও জসিম উদ্দিন নয়ন। মামলার জামিনে থাকা মো. সোহেল ওরফে রুটি সোহেল নামে এক আসামি ইতিমধ্যে র্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়লা জেসমিন বড় মনির ছেলে আবিদুল ইসলাম আবিদ প্রবাসে আত্মগোপন করেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২০ মে ফেনী শহরের একাডেমি এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল হককে গাড়ির গতিরোধ করে কুপিয়ে, গুলি করে ও গাড়িসহ পুড়িয়ে হত্যা করে আসামিরা। এ ঘটনায় একরামের ভাই রেজাউল হক জসিম বাদী হয়ে বিএনপি নেতা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনারের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
ইত্তেফাক/এসএস
