সা ক্ষা ত্ কা র

‘সরকারের সহযোগিতা পেলেই ছাত্রসংসদ’

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৫৩

প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম দেশের কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষার একজন দিকপাল। ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সম্প্রতি তিনি শিক্ষক রাজনীতিসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন— মুহিউদ্দিন নুর

g

 

সরকারের

সবুজ সংকেত

ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আমরা এ বিষয়ে উদ্যোগী হব

 

g

g   হাবিপ্রবিতে যোগদানের দুই বছরে আপনি কতটুকু সফল বলে মনে করেন?

      উত্তর: আমি যোগদান করার আগের চার মাস বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো উপাচার্য ছিলেন না। আমি এসে শিক্ষার্থীদের মৌলিক যে সমস্যাগুলো ছিল সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা করেছি। গবেষণা, ল্যাব ও ক্লাসরুম সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপরে জোর দিয়েছি। ১০তলা একটি একাডেমিক ভবনের কাজ চলছে, এই ভবনের কাজ শেষ হলে ক্লাসরুম সংকট অনেকটা কেটে যাবে। এছাড়াও আমি আসার পর থেকেই শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে যাচ্ছি।  বিশ্ববিদ্যালয়কে সর্বোচ্চ পরিমাণ সময় দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এরপরও এখনো অনেক সমস্যা রয়ে গেছে। অন্তর্দ্বন্দ্বসহ বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক সমস্যার কারণে আমি হয়তো যে পরিমাণে কাজ করার কথা সেটা করতে পারিনি। 

g   অনেকেই মনে করেন হাবিপ্রবিতে শিক্ষক রাজনীতি বেশি হয়, যার শিকার হয় শিক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কি?

      উত্তর:শিক্ষক রাজনীতি সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েই আছে। কোথাও হয়তো বেশি, কোথাও কম। হাবিপ্রবি এর বাহিরে না। তবে একটা জিনিস আমাদের সকলের মেনে চলা উচিত, সেটা হচ্ছে শিক্ষকদের রাজনীতির শিকার যেন শিক্ষার্থীরা না হয়। এতে শিক্ষকসমাজ শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের প্রাপ্য আস্থা ও সম্মান হারিয়ে ফেলবেন। শিক্ষকদের কাজ হতে হবে গঠনমূলক। 

g   হাবিপ্রবির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নির্বাচন নিয়ে আপনার ভাবনা কি?

      উত্তর: ছাত্র সংসদের নির্বাচনগুলো চলমান প্রক্রিয়া। কিছুদিন আগেই ডাকসু নির্বাচন হয়েছে, এরপর হয়তো চকসু, ডাকসু, রাকসু নির্বাচন হবে। বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর এখন পর্যন্ত হাবিপ্রবিতে কোনো ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি। তবে সরকারের সবুজ সংকেত ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আমরা এ বিষয়ে উদ্যোগী হব।

g   হাবিপ্রবিতে চলমান শিক্ষক নিয়োগ মেধার মূল্যায়ন কতটুকু হচ্ছে?

      উত্তর:আমি যোগদান করার পর এটাই প্রথম নিয়োগ। এক্ষেত্রে গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে আমি সর্বোচ্চ পরিমাণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজ করার চেষ্টা করছি। উপাচার্যের একক ক্ষমতার প্রয়োগের কোনো সুযোগ ছিল না। এমনকি লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নও করেছিলেন বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, সিনিয়র শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ যে বোর্ড গঠন করা হয়েছিল তাদের হাতেই চূড়ান্ত ক্ষমতা ছিল। তাই এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো কথা ওঠাতে পারেননি, আশা করি ভবিষ্যতেও পারবেন না।