রাজশাহী মহানগরীর গুড়িপাড়ায় বাস্তবায়নাধীন 'রাজশাহী বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক' প্রকল্পের কাজ স্থানীয়দের জমি অধিগ্রহণ ছাড়াই শুরু হয়েছে। জমি অধিগ্রহণের দাবি জানালে কোটি টাকার জমির বদলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মকর্তা মালিককে একটি চাকরি দেয়ার প্রস্তাব করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবে স্থানীয় বাসিন্দা ও জমির মালিক বসির উদ্দীন সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী বসির উদ্দীন নিজেই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান।
তিনি লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগের অধীনে রাজশাহী মহানগরীর গুড়িপাড়ায় বাস্তাবায়ন করা হচ্ছে ‘রাজশাহী হাইটেক পার্ক’ প্রকল্প। ইতোমধ্যে প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমিতে হাইটেক পার্ক প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। অধিগ্রহণকৃত জমির পাশেই তারসহ পিতা ও ভাইবোনদের ৪১ কাঠা ৪ ছটাক (৬৮.৫৬ শতাংশ) জমি রয়েছে। যার তফসিল জেলা-রাজশাহী, থানা-পবা, মৌজা-নবীনগর, জেএল নং-৫০, আরএস খতিয়ান নং- ২৪৬, ২৬২,১৭৪, আরএস দাগ নং-৪০৭, ৪১৩, ৪১৫, ৪১৬ (যার খাজনা ২০২৪ সাল পর্যন্ত পরিশোধকৃত)। কিন্তু তাদের উক্ত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা হয়নি এবং জমি অধিগ্রহণের কোন নোটিশও প্রদান করা হয়নি। অথচ তাদের তফসিল বর্ণিত সম্পত্তি আইটি পার্কের জন্য লাল ফ্লাগ দিয়ে চিহ্নিত করে বালু ভরাটের কাজ চলছে।
ভুক্তভোগী বসির উদ্দীন একজন সার্ভেয়ার দিয়ে সরেজমিনে তাদের জমি পরিমাপ করে তাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দেয়া এবং বর্ণিত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে তার পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে, বসির উদ্দীনের বড় ভাই, শামীম আহমেদ, ভগ্নিপতি আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ‘রাজশাহী বঙ্গবন্ধু হাইকেট পার্ক’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক একেএএম ফজলুল হক বলেন, জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি জেলা প্রশাসনের ব্যাপার। জমির দামের পরিবর্তে তিনি কাউকে চাকরির অফার দেন নি। তাদের যে এলাকা ডিসি অফিস থেকে চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে, তারা ওই এলাকায় কাজ করছেন। প্রয়োজন হলে সরকার ওই জমিও অধিগ্রহণ করবে।এটা তাদের বিষয় নয়।
ইত্তেফাক/আরকেজি
