আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লোহাগড়া উপজেলার আমাদা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় ১৫টি বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছে। পুলিশ মোতায়েনের মধ্যেই এই সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটছে। প্রায় ৪ মাস ধরে আমাদা গ্রামে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও তা কোন কাজে আসছে না বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আমাদা গ্রামের আবুল কাশেম খান এবং আলী আহমেদ খানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে শনিবার দুপুরে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে আবুল কাশেম খানের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এ সময় ১৫টি বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। বাড়িঘর ভাংচুরের সময় একটি বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভেঙ্গে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছে।
IMG0
গত ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচটি বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শটগানের ১৪ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এছাড়া গত দুই মাসে আমাদা গ্রামে দুইপক্ষের মধ্যে চারবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাড়িঘর ভাংচুরসহ কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পুলিশ মোতায়নের মধ্যেই দুইপক্ষের এ সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটছে। পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। লোহাগড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
