মাধবপুর উপজেলার হাসিমপুর গ্রামে রবিবার সকালে বিদ্যুতের লাইন টানাকে কেন্দ্র করে ৪ হিন্দু বাড়িতে মূর্তি ভাংচুর করেছে কিছু কয়েকজন যুবক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্যকে আটক করা হয়েছে। দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন বহরা ইউনিয়নের চেয়াম্যান ও এলাকাবাসী।
পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, আলী হোসেন ও মিঠুন মিয়া নামক ২ ব্যক্তি অন্য স্থান থেকে এসে সম্প্রতি হাসিমপুর গ্রামে বাড়ি নির্মাণ করে। তাদের জায়গার উপর দিয়ে হিন্দু পাড়ার ১৫টি বাড়িতে বিদ্যুৎ লাইন টানতে তাদের বাধা ছিল। শনিবার সকালে মনতলা তদন্ত ফাঁড়ির এসআই কামরুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিদ্যুতের লাইন টানা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পাশের গ্রামের আলী হোসেন মিঠুন মিয়ার পক্ষ নিয়ে ১০/১২জনের একদল যুবক বিদ্যুতের টানা লাইন একাধিকস্থানে কেটে দিয়ে যাওয়ার সময় হাসিমপুর গ্রামের সমিরণ সরকার, বিশ্বজিৎ সরকার, নিখিল সরকার, গৌতম ভূমিকের বাড়িতে ঠাকুর ঘরে প্রবেশ করে মূর্তি ভাংচুর করে।
বিশ্বজিৎ সরকার জানিয়েছেন ঘটনায় সময় তারা কেহ বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ির নারীরা ভয় পেয়ে এদিক সেদিক ছুটাছুটি করে। খবর পেয়ে এএসপি (সার্কেল) রাজু আহম্মেদ, মাধবপুর থানার ওসি চন্দন চক্রবর্তী ও স্থানীয় চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় গ্রামবাসী ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল আওয়াল এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা থাকার কথা জানালে পুলিশ তাকে আটক করে।
এ বিষয়ে এএসপি (সার্কেল) রাজু আহম্মেদ জানিয়েছেন, মেম্বার আব্দুল আওয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বহরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান ও গ্রামবাসী এ ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
ইত্তেফাক/আরকেজি
