৮০০ টাকায় ১ মণ রসুন তাড়াশে

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৮, ১৬:২২
শস্যভাণ্ডার খ্যাত তাড়াশ উপজেলায় এ বছর রসুনের চাষ হয়েছে ৪২৫ হেক্টর জমিতে। আশানুরূপ ফলনও পেয়েছেন চাষীরা। তবে বাজারমূল্য কম হওয়ায় লাভবান হতে পারছেন না তারা। প্রতিবিঘা জমিতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে রসুন চাষীদের। আর বিক্রি করতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা মণ।
 
রসুন চাষী করিম প্রামানিক, আছের আলী, আজগর প্রামানিক, জাকারুল ইসলাম, ফজলুর রহমান, হোসেন আলী, শাহাদত হোসেন জানান, প্রতিবিঘা জমির জন্য বীজ বাবদ ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা, সার-কীটনাশক প্রায় ৭ হাজার, নিড়ানি ও সেচ বাবদ ৬ থেকে ৮ হাজার এবং কৃষি শ্রমিকের মজুরি ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকার মত। আর ক্ষুদ্র বর্গাচাষীরা প্রতিবিঘা জমি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বর্গা নিয়ে আবাদ করায় তাদের খরচ আরো বেশি হয়েছে।
 
চাষীরা জানান, রসুন চাষে এ বছর আশাতীত ভালো ফলন পেয়েছেন। প্রতিবিঘা জমিতে ২৪ থেকে ২৬ মণ রসুন হয়েছে। প্রতি মণ রসুন মাত্র ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ গত বছর ভরা মৌসুমেও সর্বনিম্ন ২ হাজার থেকে সর্ব্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা মণ পর্যন্ত রসুন বিক্রি হয়েছে। ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকায় রসুন বিক্রি করে লাভের মুখ দেখা তো দূরের কথা, উত্পাদন খরচ নিয়েই দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।
 
এ প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলা জুড়ে ৪২৫ হেক্টর জমিতে রসুনের চাষ হয়েছে। ফলনও বেশ ভালো পেয়েছেন চাষীরা। তবে দাম কম হওয়ায় লাভবান হতে পারছেন না তারা। চাষীদের রসুন ঘরে রেখে বাজার দর দেখে বিক্রির পরামর্শ দেন তিনি।
 

ইত্তেফাক/এএম