নগরীর মিরাবাজার খারপাড়া এলাকায় মা ও ছেলে হত্যার ঘটনার রহস্য এখনো উদ্ধার হয়নি। এসএমপির কমিশনার গোলাম কিবরিয়া সোমবার সন্ধ্যায় জানান, তারা এই রহস্যজনক দুই খুনের মোটিভ ও আসামিদের ধরার চেষ্টায় আছেন। পুলিশের কর্মকর্তারা মনে করেন কাজের মেয়ে তানিয়াকে পেলে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে। তবে তানিয়াদের পরিবারের সাথে ঘনিষ্ট ও ভাড়াটিয়া তথ্য ফরমে আরো একজনের নাম রয়েছে যাকে নিয়ে পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তাসহ সবাই চিন্তিত। ঐ ব্যক্তিটি কে? তা খুন হওয়া রোকেয়া বেগমের ভাইও চিনেন না।
নিহত রোকেয়া বেগমের ভাই জাকির হোসেন অজ্ঞাতনামা ৪-৫জনকে আসামি করে রবিবার রাতে কোতোয়ালি থানায় এ মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন কোতোয়ারি থানার ওসি গৌছুল হোসেন। তিনি জানান, এ ঘটনার পর থেকে পালিয়ে থাকা কাজের মেয়ে তানিয়ার সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ।
তিনি আরো জানান, নিহত মা ও ছেলের লাশের ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে মামলায় কয়েকদিন আগে রোকেয়ার বাসায় হামলা, মোবাইল ছিনিয়ে নেয়া এবং তাকে মারধরের ঘটনায় জড়িত শিপলু, তানিম ও সুমনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য সিলেট নগরীর মিরাবাজার খারপাড়ার ১৫/জে থেকে রবিবার রোকেয়া বেগম (৪০) ও তার ছেলে এসএসসি ফলপ্রার্থী রবিউল ইসলাম রোকনের (১৫) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রবিবার সকালে নিহত রোকেয়ার ভাই জাকির হোসেন বোনের খোঁজ নিতে এসে ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানান। পরে পুলিশ ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে বাসা খুলে ভেতরে মা-ছেলের লাশ দেখতে পায়। এ সময় পাঁচ বছরের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস রাইসা রাইসকে উদ্ধার করা হয়। সে খুন হওয়া রোকেয়া বেগমের কন্যা।
ইত্তেফাক/আরকেজি
