মহেশখালী উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে প্রকাশ্যে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন আজম। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ গিয়াস উদ্দিন আজমকে আটক করে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ে।
উপজেলা প্রকৌশলী সৈয়দ জাকির হোসেন জানান, কুতুবজোমের কাজি বাড়ি হতে বড় মহেশখালী জাগিরাঘোনা মোস্তাক মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা (এইচবিবি) কাজ পায় কক্সবাজার শহরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আসাদ এন্টাপ্রাইজ। এ কাজটি সাব ঠিকাদার হিসাবে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেয় বড় মহেশখালী জাগিরাঘোনা গ্রামের মহুরী মাওলানা মো. হোসেনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন আজম।
কাজটি ২২ অক্টোবর ২০১৭ থেকে এ বছরের ২২ মার্চ পর্যন্ত মেয়াদ ছিল। এর মধ্যে কাজ শেষ করলে কাজের গুণগত মানে ত্রুটি থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আসাদ এন্টারপ্রাইজকে নোটিশ প্রদান করেন তিনি। নোটিশটি কেন সাব ঠিকাদার গিয়াস উদ্দিন আজমকে দেয়া হয়নি এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হন।
দুপুরে সহকারী প্রকৌশলী এএইচএম খাইরুল আলমের রুমে ডুকে তাকে না পেয়ে অফিস কক্ষের আসবাব পত্র লাথি ছুটে মারে। পরে উপজেলা প্রকৌশলীর রুমে গিয়ে কেন আজমের বরাবরে নোটিশ দেয়া হয়নি তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে উত্তেজনার এক পর্যায়ে নিজের প্যান্টের পকেট থেকে অস্ত্র বের করে পর পর তিন বার মাথায় ঠেকিয়ে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে বলে দাবি করেন তিনি।
অবশেষে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলীকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যা, হুমকি দেয়ার বিষয়টি প্রচার হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কথিত যুবলীগ সদস্য নামধারী গিয়াস উদ্দিন আজমকে আটক করে।
মহেশখালী থানার ওসি (তদন্ত) একে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা রুজু হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
