মাদ্রাসা সুপারকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় আরও একজন আটক

আপডেট : ১৪ মে ২০১৮, ১৭:১৫
বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদ্রাসার জমি ও কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে সুপারকে প্রকাশ্যে মারধর ও মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আরও একজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটককৃত মিরাজ হোসেন সোহাগ বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা আ. মজিদ সরদারের ছেলে। 
 
আজ সোমবার দুপুরে তাকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম। 
 
তিনি জানান, মিরাজকে আটকের পূর্বে ঘটনার সাথে জড়িত বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১২নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের মৃত মো. হাসেম মুসল্লীর ছেলে মিনজু (৪৫) ও বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হারুন হাওলাদারে ছেলে বেল্লালকে (২৫) আটক করা হয়। তিনি বলেন, মাদ্রাসা সুপারের মাথায় ও শরীরে মানুষের পরিত্যাক্ত মল ঢেলে দিয়ে লাঞ্ছনার এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক। খবরটি জানতে পারার পর থেকেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ও মামলায় অভিযুক্ত সকলকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যে ভিডিওটি ফেইসবুকে প্রকাশ হয়েছে, সেই ভিডিও চিত্রের বাইরেও অনেকে এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। তাদের বিষয়ে আমরা তথ্য পাচ্ছি, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
IMG0
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১১ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে কাঠালিয়া গ্রামের কাঠালিয়া ইসলামিয়া দারুছুন্নাৎ দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও সুপার মাও. মো. আবু হানিফকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করা হয় এবং লাঞ্ছনার ভিডিও ধারণ করা হয়। ঘটনার পর লাঞ্ছনার শিকার মাদ্রাসার সুপার ও তার পরিবার লোকলজ্জায় বিষয়টি গোপন রাখতে চায়। তবে রবিবার লাঞ্ছনার ঘটনার একটি ভিডিও ধারণকারীদের মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। এরপরপরই মাদ্রাসা সুপার মাও. মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে নিজের ছোটভাই জাকারিয়া হোসেন জাকিরসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনকে আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
 
ইত্তেফাক/এমআই