বাগেরহাট-৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পথে আওয়ামী লীগ প্রার্থী

আপডেট : ২৪ মে ২০১৮, ১৭:৫৮
বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনের উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হাবিবুন নাহার নির্বাচিত হতে চলেছেন। এই আসনে নায়ক সাকিল খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনলেও শেষ পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বৃহস্পতিবার তা জমা না দেয়ায় হাবিবুন নাহারের আর কোন প্রতিদ্বন্দ্বী রইলো না।
 
বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রুহুল আনি মল্লিক জানান, বাগেরহাট-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্ধারিত দিন বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার মধ্যে খুলনার নব নির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের ছেড়ে দেয়া আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তার স্ত্রী হাবিবুন নাহার ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি। বাগেরহাট জেলা নির্বাচন অফিসে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ফরিদপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নূরুজ্জামান তালুকদারের হাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুন নাহার বৃহস্পতিবার দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
 
এসময়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. মোজ্জাম্মেল হোসেন এমপি, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু, মীর শওকাত আলী বাদশা এমপি, বাগেরহাট পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগ নেত্রী তালুকদার রিনা সুলতানা, জেলা তাঁতি লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল বাকীসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও রামপাল-মোংলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 
এর আগে, এই আসনে তালুকদার আব্দুল খালেক সংসদ সদস্য ছিলেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য তিনি এই আসন থেকে স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করেন। স্পিকার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিলে ১০ এপ্রিল আসনটি শূন্য ঘোষণা করেন। এই শূন্য আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয় তালুকদার আব্দুল খালেকের স্ত্রী হাবিবুন নাহারকে।
 
রামপাল-মোংলা এই দুই উপজেলা নিয়ে বাগেরহাট-৩ আসনে ইসি’র রোডম্যাপ অনুযায়ী আজ ২৪ মে ছিলো মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন। আগামী ২৭ মে মনোনয়নপত্র বাছাই ও ৩ জুন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। আর ভোট গ্রহণ হবে ২৬ জুন। দুই উপজেলায় ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে মোট দুই লাখ ২৬ হাজার ২৪৯ ভোটার রয়েছে। এই আসনে ৯০টি কেন্দ্রে রয়েছে।
 
ইত্তেফাক/এসএস