যশোরে আবাসন সংকটে কর্মজীবী নারীরা

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৫১

জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে নানা শ্রেণিপেশার মানুষের পাশাপাশি কর্মজীবী নারীরাও যশোরমুখী। তবে এ অগ্রযাত্রায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নারীর আবাসন সংকট। কর্মজীবী নারীর সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আবাসন সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে কাজের জন্য যশোরের বাইরে থেকে আসা নারীদের ভোগান্তি বাড়ছে। যশোরে মাত্র একটি কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল রয়েছে। যার সিট সংখ্যা মাত্র ৩৬টি। চাহিদার তুলনায় এ হোস্টেলে সিট সংখ্যা সীমিত।

শহরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের রেশমা খাতুন। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। অফিস শেষ করে বাড়ি ফিরতে প্রায়ই রাত হয়ে যায়। রেশমা বলেন, আমরা যারা শহরের বাইরে থেকে এসে কাজ করি, তাদের বাড়ি ফেরায় অনেক সমস্যা হয়। সদ্য চাকরি পাওয়া সাথী খাতুন বলেন, অবিবাহিত মেয়েদের কেউ রুম ভাড়া দিতে চায় না। আবার নিরাপত্তার জন্য সব জায়গায় থাকাও যায় না। ফলে অনেক সমস্যা হয়। তিনি বলেন, আমি তিন মাস বাড়ি থেকে আসার পর এই মাসে একটি মেসে উঠেছি। এখানকার পরিবেশও ভালো না।

নিরাপদ বাসস্থানের জন্য তাই হোস্টেলের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি কর্মজীবী নারীদের। সমস্যার কথা স্বীকার করে যশোর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, আমরা কিছুদিন আগে কয়েকটি সিট বাড়িয়েছি। কিছু সরকারি বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে। আবাসন সংকট সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি।