আগামী ২ মে ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরায় দ্বিতীয়বারের মত বসছে বাংলাদেশ ফ্যাশনলজি সম্মেলন। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তারা গার্মেন্টস খাতের হাল আমল ও ভবিষ্যতে কী ধরনের ফ্যাশন চালু হবে- তা নিয়ে আলোচনা করবেন। ফ্যাশনের বৈচিত্র্য আনতে পোশাকের ফেব্রিকের পাশাপাশি ওয়াশিং, ডায়িং, ফিনিশিং, উদ্ভাবন ও এতে প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্রেতার চাহিদার বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পাবে। বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জ ওই সম্মেলনের আয়োজন করছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। দিনব্যাপী ও সম্মেলনে পাঁচটি বিষয়ভিত্তিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী মোস্তাফিজ উদ্দিন বলেন, ধীরে ধীরে উত্পাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানের ও কম মূল্যের পোশাক রপ্তানি করে ব্যবসায়ে টিকে থাকা কঠিন হবে। এজন্য উচ্চমূল্যের পোশাকে ঝুঁকতে হবে। ২০২৫ সাল নাগাদ তা ১২৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। এই বাজারের একটি ভালো অংশ ধরার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। এবারের ফ্যাশনলজি সামিটে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় আসবে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ’র বিদায়ী সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান গার্মেন্টসে সরবরাহ চেইনে স্বচ্ছতা আনার উপর তাগিদ দেন। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের কান্ট্রি ব্র্যান্ডিংয়েও গুরুত্ব দেন তিনি। এ সময় অন্যদের মধ্যে বিজিএমইএ’র নতুন নির্বাচিত পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেলসহ সম্মেলন আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
