ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর গ্রামে চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক দিতে না পারায় এক মেয়ের বিয়ে ভেঙেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রায়পুর এলাকার রতন রায়ের ইচ্ছে ছিলো মেয়ে বিয়ে দেবেন ধুমধাম করে। এরই মাঝে মেয়ের বিয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে পাত্রপক্ষ আসা শুরু করে। অবশেষে গত ১ জুন সদর উপজেলার খাগড়াবাড়ি এলাকার জগমোহনের ছেলে কালি বাবুর সঙ্গে রতনের মেয়ের বিয়ে ঠিক হয় ২ লাখ ত্রিশ হাজার টাকা যৌতুকের বিনিময়ে।
১লা জুন কালীবাবুুর বাড়ি হতে রতনের বাড়িতে ১২ জন লোক আসে বিয়ে ঠিক করতে। বিয়ে ঠিক হলে কালি বাবুর লোকজন রতন রায়কে খাশি কাটার অনুমতি দেয়। পরে কালি বাবু রতনের বাড়িতে আসলে ২ লাখ ত্রিশ হাজারের পরিবর্তে ৩ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিতে পারলে বিয়ে করতে অমত পোষণ করে।
রতনের পরিবারের সঙ্গে জগমোহনের পরিবারের লোকজনের কথা কাটাকাটির মাঝে বর কালিবাবু চলে যায়। এরপর মেয়ের বাবা রতন ছেলে পরিবারের লোকজনকে আটক করে রাখে। পরে পুলিশ এসে ছেলে পক্ষের লোকজনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
গত ৬ জুন ছেলের বাবা জগমোহন বাদী হয়ে মেয়ের বাবা, ভাই, চাচাসহ ৭ জনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করে। অন্যায়ভাবে আটক করে মারপিট, হত্যার উদ্দেশে জখম, চুরি, চাঁদাবাজি অভিযোগ আনা হয় মামলায়।
এদিকে জগমোহনের চাঁদাবাজি মামলায় রতনসহ তিন ভাই জেলহাজতে রয়েছে। তদন্ত ছাড়াই দ্রুত আসামি ধরায় এলাকায়বাসী আতঙ্কিত হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএই চন্দন বলেন, ৩ তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে।
ইত্তেফাক/নূহু
