ঢাকা-মাওয়া সড়কের ৩০ কিলোমিটারে ধীরগতি

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৮, ১১:২৯
ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানী ছেড়ে আসা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ঢল এখন শিমুলিয়া ফেরিঘাটের দিকে। পদ্মা পাড়ি দিতে শুক্রবার ভোর থেকেই এসব ঘরমুখো মানুষ ছুটে চলেছেন নিজ গন্তব্যে। এক্সপ্রেস রোড নির্মাণের কারণে ঢাকা-মাওয়া সড়কের কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া থেকে ৩০ কিলোমিটারে যানবাহন চলছে অপেক্ষাকৃত ধীর গতিতে। 
 
সকাল থেকেই ফেরিঘাটে ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় যাত্রীবাহী বাড়তি পরিবহনের চাপ দেখা দেয়ায় চারটি ঘাটে। ঘাট এলাকায় পাঁচ শতাধিক বড় দূরপাল্লার বাস ও ছোট গাড়ি রয়েছে। চারটি রেরো রোরাসহ ২০ ফেরিতে পারাপার হচ্ছে। তবে লঞ্চ ও স্পিড বোট ঘাটে ভিড় ছিল বেশি।
 
এদিকে সকালের দিকে শিমুলিয়া-কাওরাকান্দি ও শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে লঞ্চঘাটে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। লঞ্চে আগে ওঠার প্রতিযোগিতায় অতিরিক্ত পারাপার হচ্ছে। তাড়াতাড়ি যাওয়ার জন্য এবার স্পিডবোটে ছিল সব চেয়ে ভিড়। প্রতিটি যাত্রী থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া অভিযোগ যাত্রী সাধারণের। 
 
মাওয়া বিআইডব্লিউটিসির মেরিন অফিসার আহমেদ আলী জানান, শিমুলিয়ায় ফেরি ঘাটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ফেরিগুলো পদ্মা পাড়ি দিতে ১ ঘণ্টা থেকে দেড় ঘণ্টা সময় নিচ্ছে ফেরিতে গাড়ি উঠা-নামা করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
 
শিমুলিয়া বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, সকালের দিকে ফেরিঘাটে একসাথে অনেক ছোট গাড়ি আসায় এ সময় ফেরি পারাপারে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। ভোর সকাল থেকে হাজারের মত গাড়ি পাড় হয়েছে। ঘাটে বহু যান আমরা পার করে দিতে পারছি। তারপরও চাপ বেশি থাকায় এখনও বহু যান পরাপারেরর অপেক্ষায় রয়েছে। 
 
এদিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ঢাকার তেঘরিয়া থেকে মাওয়া চৌরাস্তা পর্যন্ত চলছে ফোর লেনের কাজ। তাই মহাড়কে যানগুলো চলছে ধীরগড়িতে। মহাসড়কটির শ্রীনগর উপজেলার ভূচিতসহ কয়েকটি পয়েন্টে সেতু ভেঙ্গে সেখানে নতুন সেতু তৈরি করা হচ্ছে। আর এরপাশে বালুর উপর ইটের সোলিং দিয়ে  বিকল্প সড়কে যান চলতে গিয়ে ধীরগতি হয়ে যাচ্ছে। তাই মহাসড়কটির কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া থেকে মাওয়া পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথেই যান চলছে অপেক্ষাকৃতি ধীরগতিতেতে।
 
শ্রীনগর থানার ওসি এইচ এম আলমগীর জানান, ভূচিত এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ রয়েছে। শৃঙ্খলভাবে যান চলাচল নিশ্চিত করছে। এছাড়াও অন্যান্য সমস্যাপূর্ণ পয়েন্টগুলোতেও পর্যাপ্ত পুলিশ মেতায়েন রয়েছে।
 
ইত্তেফাক/কেকে