শুধু বাংলাদেশ নয়, এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদগাহ এখন দিনাজপুরে।
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ময়দানের চেয়ে তিন গুন বড় দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দান। এর আয়তন প্রায় ২৩ একর। অপরদিকে শোলাকিয়ার মাঠের আয়তন সাড়ে ৭ একর।
দিনাজপুরে নির্মিত ঈদগাহে ৮ লাখ মুসল্লির ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। সকাল ৯টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে এখানে। সুষ্ঠুভাবে নামাজ আদায়ের জন্য নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ৫২ গম্বুজ বিশিষ্ট এ ময়দানে প্রধান মিনারের উচ্চতা ৫৫ফুট ও প্রস্থে ৫১৬ ফুট। দিনাজপুর ছাড়াও আশপাশের জেলাগুলোর অসংখ্য মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করবেন এখানে।
দিনাজপুর ও আশেপাশের জেলার মানুষের কাছে আগ্রহ বেড়েছে এই সুবিশাল দৃষ্টিনন্দিত ঈদগাহ মিনারটির।এক সপ্তাহ ধরে দিনাজপুর পৌরসভা ও এলজিইডি পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বুল ডোজার ও ভাইব্রেটর মেশিন দিয়ে মাঠ সমান ও পরিচ্ছন্নতার কাজ করছেন। একসঙ্গে ৮ লক্ষাধিক মুসল্লির নামাজ আদায়ের জন্য ঈদগাহ মাঠের দুইপাশে মুসল্লিদের চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে রাস্তা। মুসল্লিদের জন্য পানি পান, ওযু এবং টয়লেট করার সুব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক ড. আবু নঈম মোহাম্মদ আবদুছ ছবুর।
ঈদগাহ মিনারটি নির্মিত হওয়ার পর থেকে লাখো মুসল্লি এই মাঠে নামাজ আদায় করছেন। এত বড় মাঠে নামাজ আদায় করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন অনেকেই। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদয়ের জন্য সাধারণ মুসুল্লিরা আসেন।
দিনাজপুরে ঈদের নামাজ যাতে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয় এজন্য দিনাজপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। দূর-দুরান্ত থেকে আসা মুসুল্লিদের ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এজন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এমন কথা জানালেন দিনাজপুর পুলিশ সুপার হামিদুল আলম।
ইত্তেফাক/নূহু
