হ্যাটট্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি লিটন-বুলবুল

আপডেট : ২৪ জুন ২০১৮, ১৯:২২
রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীতায় কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। ইতোমধ্যে উভয় দলের নির্বাচনী বোর্ড বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ফলে আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে দুই হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল হ্যাটট্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হচ্ছেন, একথা হলফ করেই বলা যায়।
 
জানা গেছে, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রথম ভোট হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। প্রথম নির্বাচনে মেয়ল পদে বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু। ২০০২ সালে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নির্বাচনেও জয় পান তিনি। ২০০৮ সালে মিনু কারাগারে থাকায় ভোটে দাঁড়াননি। তাই বিএনপির মেয়র প্রার্থী করা হয় তৎকালীন যুবদল নেতা বুলবুলকে। লিটনের প্রতীক ছিল তালা। আর বুলবুলেন টপ্রতীক ছিল বাঘ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের ওই নির্বাচনে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বি লিটন ও বুলবুলের মধ্যে লিটন বিজয়ী হন।
 
অন্যদিকে ২০১৩ সালের নির্বাচনে লিটন তার প্রতিদ্বন্দ্বি বুলবুলের কাছে পরাজিত হন। দ্বিতীয় বার লিটনের প্রতীখ ছিল তালা। কিন্তু বুলবুলের প্রতীক পরিবর্তন করে দেওয়া হয় আনারস। লিটন ও বুলবুল এবার হ্যাটট্রিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে তারা এবার নিজ নিজ দলীয় প্রতীক নৌকা ও ধানের শীষ এবারই প্রথম নির্বাচন করবেন পরস্পরের দুই মেরুর এ দুই নেতা।
 
সূত্র জানায়, গত ১৪ জুন থেকে সরকারি ছুটির দিন ছাড়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। ২৮ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ ও জমা নেওয়া হবে। আগামী ১ ও ২ জুলাই মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জুলাই। এবার রাসিকের ৩০টি সাধারণ এবং ১০টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৩৭টি। আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে।  
 
ইত্তেফাক/এমআই