প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে কলেজ শিক্ষক নিয়োগ দেয়ায় কলেজের অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। সোমবার দুদকের রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আব্দুল করিম বাদী হয়ে রাজশাহী মহানগরের কর্ণহার থানায় এ মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর ১৬।
তিনজন আসামি হলেন- রাজশাহীর পবা থানার সরিষাকুড়িপাড়ার দারুশা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল মান্নান, একই কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোছা. জাফরীন আলম ও বিষয় বিশেষজ্ঞ ও ডিজির প্রতিনিধির দায়িত্বি পালনকারী রাজশাহী সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক (অব.) এ.এস.এম. আলী আকবর।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল ও ভুয়া রেকর্ডপত্র প্রস্তুতপূর্বক মোছা. জাফরীন আলমকে দারুশা কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে চাকরি করার সুযোগ করে দিয়েছে। একইসঙ্গে মোছা. জাফরীন আলমকে এমপিওভুক্তির মাধ্যমে ২০০২ সালের ৬ এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেতন ভাতা বাবদ সর্বমোট ১৯ লাখ ৯৭ হাজার ৬ শত ৯৪ টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করে। যা দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
ইত্তেফাক/এমআই
